জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারদর বেড়েছে ২৭%

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটি শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১২ টাকা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক শীর্ষ দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১০ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৪৪ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৩১ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২৭ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিবিবি পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১৪ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিবিবি পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৩৯ পয়সায়।

২০১২ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত জিবিবি পাওয়ারের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০১ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮। এর ৩২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ১৫ দশমিক ৯৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও